টিপস

দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র

আপনি কি দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র ফরম্যাট অনুসন্ধান করছেন? আমাদের এই অনুচ্ছেদ হতে দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র ছাড়াও ব্যবসাহিক আরও কিছু চুক্তিপত্র আলোচনা করা হয়েছে। তাই আপনারা যারা দোকান ভাড়া চুক্তিপত্র অনুসন্ধান করছেন আমার এই অনুচ্ছেদ হতে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।

বিভিন্ন কারণে এক ব্যক্তি আরেক ব্যক্তির সাথে বিভিন্ন চুক্তিবদ্ধ ভাবে ব্যবসা কিংবা অন্যান্য কাজ করে থাকে। ব্যবসাহিক কাজে আপনি যদি কোন ব্যক্তিকে দোকান ভাড়া দিয়ে থাকেন। কিংবা কোন ব্যক্তির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে কি রকম ভাবে চুক্তিপত্র তৈরি করবেন সে বিষয়ে আমরা একটি ফরমেট তুলে ধরেছি। এই ফর্মেটি হুবহু বিজয় বাহান্ন কিবোর্ড দিয়ে কনভার্ট করে আপনি সহজেই ব্যবসায়ী চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে পারেন।

দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র

আপনার বাজারে কোন খালি রুম থাকলে সেটি দোকান হিসেবে আপনি কোন মানুষকে ভাড়া দিলে এরকম ভাবে চুক্তিপত্র সম্পাদন করবেন। সেই চুক্তিপত্রকে দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্র হিসেবে অবহিত করা হবে। এখানে মালিকপক্ষ এবং যিনি ভাড়া নেবেন তার পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা সহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা থাকবে।

কত বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন সেই বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। সেই সাথে প্রত্যেক মাসে কত টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে হবে এবং অগ্রিম কত টাকা জামানো প্রদান করতে হবে সেটিও উল্লেখ করা যাবে। আমি দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রের নিচে তুলে ধরব।

Related Articles

দোকান ঘড় ভাড়ার চুক্তিপত্র”

১ম পক্ষঃ মালিক পক্ষঃ                                                                                                   ২য় পক্ষঃ ভাড়াটিয়াঃ

মোঃ জাহিদ সারওয়ার আলম চৌধুরী(৪৩)                                                                   মোঃ সাইদার রহমান (৩৩)

পিতা-মৃতঃ  হায়দার আলী চৌধুরী                                                                          পিতা- মৃতঃ এলাহি রহমান

সাং-সুটিপাড়া ( চৌধুরী পাড়া)                                                                  সাং-ডাকবাংলা রোড( নীল প্রতিভা পাড়া)

থানা ও  জেলা-নীলফামারী                                                                                থানা ও  জেলা-নীলফামারী

আমি ১ম পক্ষ আমার নিম্ন তফশীল বর্ণিত বিত্বের উপর নির্মিত দোকান ঘর ভাড়া দেওয়ার প্রস্তাব করিলে ২য় পক্ষ তাহা ভাড়া নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করে। নগদ ১,৫০,,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাম হাজার) টাকা জামানতের বিনিময়ে নিম্ন বর্নিত শর্ত সাপেক্ষে দোকন ঘরটি ২য় পক্ষকে ভাড়া দিলাম।

শর্ত গুলি নিম্নরুপঃ

১। জামানত স্বরুপ ১,৫০,,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাম হাজার) টাকা যাহা ফেরত যোগ্য।

২। প্রতি ইংরেজি মাসের ০৫ হইতে ১০ তারিখের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ যোগ্য।

৩। গোডাউন ঘর দুইটি ৩ বছরের জন্য ২য় পক্ষের নিকট ভাড়া দেওয়া হল।

৪। ১ম পক্ষ চুক্তি কালীন সময়ে কাহারো নিকট দোকন ঘরটি ভাড়া প্রদান করিতে পারবে না।

৫। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে প্রতি মাসে …………./- টাকা করে ভাড়া প্রদান করিবে।

পাতা নং-০২

৬। বিদ্যুৎ সংযোগ সহ বিদ্যুৎ বিল ২য় পক্ষ বহন করিবে।

৭। ২য় পক্ষ কোন অবৈধ ব্যবসা করিতে পারিবে না।

৮।  বিগত ২০/০৩/১৮ইং তারিখের সম্পদিত চুক্তি পত্রে ত্রুটি থাকায় অদ্যকার ০২/০৮/১৮ইং তারিখে নতুন করিয়া চুক্তি সম্পাদন করা হইল। তজ্জন্য চুক্তি শুরুর তারিখ ২০/০৩/১৮ইং বলবৎ থাকিবে।

৯। ৩ বছর পর দোকন ঘরটির ভাড়া বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। ১ম পক্ষ এবং ২য় পক্ষ সমোযোতায় ব্যর্থ হইলে ২য় পক্ষ জামানত ফেরত লইতে পারিবেন।

        উভয় পক্ষের সম্মত্তিক্রমে অত্র চুক্তি পত্রটি স্ব-স্থানে ও স্ব-জ্ঞানে ১ম এবং ২য় পক্ষ নিম্ন স্বাক্ষরকারী স্বাক্ষীগনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষর করিলেন।

স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষরঃ                     ১ম পক্ষের স্বাক্ষরঃ-                   

                                                    ২য় পক্ষের স্বাক্ষরঃ

ব্যবসাহিক চুক্তিপত্র

দুজন মিলে কোন ব্যবসা শুরু করলে সেই ব্যবসাটিকে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে উল্লেখ করলে ভবিষ্যতে ঝুট-ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকা যাবে। সেই উদ্দেশ্যে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে হবে। চুক্তিপত্রে উভয় ব্যক্তি কত পার্সেন্ট শেয়ার দিচ্ছে এবং কত শতাংশ লভ্যাংশ প্রত্যেক ব্যক্তি পাবে সেটিও উল্লেখ করা যেতে পারে। এই অনুযায়ী ব্যবসায়িক চুক্তিপত্রকে আমরা ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র হিসেবে অবহিত করি। ব্যবসাহিক চুক্তিপত্রের জন্য আপনাকে অবশ্যই স্টাম এবং পাবলিক লোটারির মাধ্যমে সম্বোধন করতে হবে।

“ব্যবসায়ীক চুক্তিপত্র”

 ১ম পক্ষঃ                                                                                                       ২য় পক্ষঃ 

নামঃ রবিউল ইসলাম (২৫)                                                              মোঃ  ক্ষিরত চন্দ্র রায় (৩৮)

পিতা-মৃতঃ আকবর আলী                                                                    পিতা- মহেশ চন্দ্র রায়

সাং-সুবর্ণখুলি                                                                                                   সাং- সুবর্ণখুলি

ডাকঘরঃ সংগলশী                                                                                   ডাকঘরঃ সংগলশী

থানা ও জেলা-নীলফামারী                                                                থানা ও জেলা-নীলফামারী

আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারী ১ম পক্ষ ও  ২য়পক্ষ উভয়ে চুক্তি করার যোগ্য সুস্থ্য, জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তি বটে। আমরা উভয়ে পাড়াপ্রতিবেশী হওয়ায় বহু পূর্ব হইতে উভয়ের মধ্যে সু সম্পর্ক রহিয়াছে। উক্ত সু-সম্পর্ক  হেতু আমরা উভয় পক্ষ যৌথভাবে ব্যবসা করার ইচ্ছা ব্যক্ত করিলে উভয়ে নিম্ন লিখিত শর্ত সাপেক্ষে ১ম পক্ষের মালিকানাধীন জেলা- রংপুর, উপজেলা-বদরগঞ্জ,লালদিঘী হাটস্থ, সিয়াম ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে অদ্য হইতে ব্যবসা পরিচালনা করিব।

শর্ত সমূহ

১। ১ম পক্ষ ও ২য়পক্ষ বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করিব। কোন প্রকার অবৈধ মাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রাখিবনা।

২। ১ম পক্ষ অত্র যৌথ ব্যবসায় মোট মূল ধনের ৭৫% এবং ২য় পক্ষ ২৫% শেয়ার প্রদান করিব।

৩। উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যাহা খরচাদি হইবে তাহা উভয় পক্ষ হইতে কর্তিত হইবে।

৪। উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হইতে যাহা লাভাংশ হইবে তাহার ১মপক্ষ ৭৫% ও ২য় পক্ষ ২৫% প্রাপ্ত হইবো এবং ব্যবসায় কোন আর্থিক ক্ষতি হইলে তাহা ১মপক্ষ ৭৫% ও ২য় পক্ষ ২৫% হারে বহন করিব।

পাতা নং-০৩

৫। উক্ত দোকান ঘরের মালামাল দেখাশোনা ও রক্ষাণাবেক্ষণ উভয়পক্ষ করিবেন ।

উপরোক্ত বিবরণ আমরা উভয় পক্ষ পাট করিয়াছি উহা আমাদের বর্ণনা মোতাবেক হওয়ায় স্ব-জ্ঞানে সুস্থ্য মস্তিস্কে কাহারো প্ররোচনা ছাড়াই অত্র চুক্তি নামায় নিজ নিজ নাম স্বাক্ষর করিলাম।

১মপক্ষকের স্বাক্ষরঃ                                     ২ম পক্ষের স্বাক্ষরঃ-

ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র কিংবা দোকান ভাড়ার চুক্তিপত্রে কমপক্ষে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হবে। আপনি চাইলে আরো দামি স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনার একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে কমপক্ষে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করার কথাটি। এই সকল চুক্তিপত্র ে দুই পক্ষের সিল সই সহ যেকোনো পাবলিক লটারির মাধ্যমে একজন উকিল মারফত চুক্তিপত্রটির সম্পাদন করতে হয়।

আপনার নিকটস্থ যেকোনো একটি কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে এই ফরমেটটি কে বিজয় ফরমেটে নিয়ে শুধুমাত্র নাম এবং ঠিকানা পরিবর্তন করে আপনার কেনা স্ট্যাম্প গুলোতে প্রিনট করে নেবেন। এরপর উভয়পক্ষ সীলমোহর এবং স্বাক্ষর করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করবেন। এইভাবে বিষয়গুলো সম্বোধন করলে ভবিষ্যতে সব রকম ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *