টিপস

মন ভালো রাখার উপায়

আমাদের এই ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আশা করি সকলেই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সামনে কিভাবে মন ভালো রাখা যায় এই নিয়ে কিছু তথ্য শেয়ার করেছি। মন নানা কারণেই খারাপ হয় তাই মন ভালো করতে আমরা নানা ধরনের টিপস এই অনুচ্ছেদে শেয়ার করেছি। আমাদের এই অনুচ্ছেদটি পড়লেই আপনি নানা উপায়ে কিভাবে মন ভালো রাখা যায় তা নিয়ে বিভিন্ন টিপস পেয়ে যাবেন।

নিত্যদিন বিভিন্ন কারণেই মন খারাপ হয়ে যায়। জীবনের শরীর ও মন দুটি ভালো রাখার দরকার। মন ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকবে। তাই এই শরীরকে ভালো রাখার জন্য মন ভালো রাখা যতটা গুরুত্বপূর্ণ আর মনকে ভালো রাখার জন্য নানা উপায় বা কৌশল অবলম্বন করা আমাদের করণীয়। চলার পথে নানা কারণে মন খারাপ হয় হয়তোবা কোন বন্ধুর জন্য বা প্রিয় কোন মানুষের জন্য বা কারো কোন খারাপ কথা শুনে মন খারাপ হয়ে যায়। মন খারাপ হয়েই থাকি কিন্তু এই মন খারাপ রাখলে চলবে না মনকে ভালো করতে হবে। সুন্দর মন সুন্দর সুন্দর কাজের উদ্ভব করে। মন ভাল থাকলে আমরা আমাদের নিত্যদিনের বিভিন্ন কাজে মন নিবাস করতে পারি। আসমান দিয়েছে সব কাজ করা হয় সেসব কাজ সফল এবং সুন্দরভাবেই সম্পূর্ণ হয়। তাই এমন ভালো রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন ভাল থাকলে যেমন পৃথিবীর আর সবাইকেই ভালো লাগে মন ভাল থাকলে সব কাজেই মন বসে সবসময় নিজেকে গুছালো এবং সুন্দর মনে হয়। তাই মন ভাল রাখা আমাদের নিজের জন্য পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভালবাসলে নানা কারণে মন খারাপ হয়। কিন্তু এই মন খারাপ নিয়ে ভালোবাসা বেশিদিন টেকে না। ভালবাসলে মন খারাপ থাকলেও আমাদের এই মনকে ভালো করার জন্য আমরা নানাভাবে প্রিয় বন্ধুর কাছে নানা কৌশল অবলম্বন করে মন ভালো করি। মন ভাল খারাপ নিয়ে প্রিয় মানুষটার সাথে দেখা করলে প্রিয় মানুষটারও মন খারাপ হয়ে যায়। তাই প্রিয় মানুষটাকে ভালো রাখার জন্য আমাদের মনকে ভালো রাখতে হবে। অনেকেই একা থাকলে হয়তো ভাবে যে মন ভালো থাকবে কিন্তু না এটা থেকে কখনো মন ভালো থাকে না মন ভালো থাকে তখনই যখন সে নিজেকে বুঝে এবং নিজের দুঃখগুলো কারো সাথে শেয়ার করে নিজের মনকে হালকা করে।এই অনুচ্ছেদে মন ভাল া করার বিভিন্ন উপায় শেয়ার করা হয়েছে।

বিষন্ন মন ভালো করার উপায়

আমাদের চলার পথে নানা কারণেই মন খারাপ হয়ে থাকে। মন খারাপ থাকলে বামন বিষন্নতায় ভরে গেলে নিজেকে কারণে অকর্মের দোষই মনে হয় নিজেকে খুব অসহায় মনে হয় মাঝে মাঝে বিভিন্ন কাজ ভুলে যেতে থাকে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয় খুব অল্পতেই হতাশা এবং আশাহীন হয়ে যাই। যে কারণেই মন খারাপ হয় সে বিষয়টা বারবারই ভাবি কাজের প্রতি কখনো অনাগ্রহ এবং ঘুমেরও সমস্যা হয়ে যায়। তাই আমাদের এই বিষন্নতা দূর করার জন্য নানা উপায় আমাদেরকে সবসময় মন ভালো রাখার চেষ্টা করতে হবে। বিভিন্ন কারণে মন খারাপ হলেও বিভিন্নভাবে আমাদেরকে নিজেকে ভালো এবং সুখী করার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

Related Articles

মন খারাপ থাকলে আপনি নানা উপায় আপনার মনকে ভালো করতে পারেন হয়তো বেশি বেশি মেকাপ করে নিজেকে নিজের মতো করে সাজিয়ে একটু লিপস্টিক পড়ে একটু চুল গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে নিয়ে আপনার মনকে ভালো করতে পারেন। নিয়মিত শরীর চর্চা করলেও মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকে তাই মন খারাপ থাকলে বেশি বেশি করে শরীরচর্চা করুন কোন খেলাধুলা করুন দেখবেন মন ভালো হয়ে যাবে। হঠাৎ কোনো কারণে মন খারাপ হয়ে গেলে আপনি আপনার হাতের কাছে মোবাইল ফোনে একটু ভালো ভালো গান বাজিয়ে আপনার মনকে ভালো করতে পারেন।

দ্রুত মন ভালো রাখার ১০টি উপায়

মন খারাপ থাকলে আমাদের নিত্যদিনের সব কিছুই খারাপ হয়ে যাবে। মন ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকে শরীর ও মন একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। শরীরকে ভালো রাখার জন্য মন ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুচ্ছেদে মন ভালো রাখার ১০টি উপায় শেয়ার করা হয়েছে।

১. খেলা করুন (তবে ফোনে নয়)

২. হাঁটতে বেরিয়ে যান

৩. বন্ধুদের ফোন করুন

৪. নতুন কিছু করুন

৫. বিচ্ছিন্ন হোন

৬. গান গাইতে পারেন

৭. সাহায্য করুন

৮. রাঁধুন

৯. হাসুন

১০. সব ঠিক হয়ে যাবে

মন ভালো রাখার গল্প

মনকে ভালো রাখার জন্য আমরা নানা ধরনের মজার মজার গান গল্প ভিডিও ইত্যাদি দেখি। মনকে ভালো রাখার জন্য আমাদের প্রিয় মানুষজনের সাথে বেশি বেশি করে গল্প করি পুরনো স্মৃতিগুলোকে স্মরণ করে গল্প করি। তাহলে দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। তবে যে কারণে মন খারাপ হয়েছে সে বিষয়টি যদি বারবার ভাবি তাহলে মন আরো বেশি খারাপ হয়ে যাবে তাই সেই বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়ে আমাদের অন্য বিষয়ে মজার মজার পুরনো স্মৃতিগুলোকে নিয়ে ভাবতে হবে। তাহলে মন ভালো হয়ে যাবে। আপনি আপনার পাশের মানুষের কাছে বসে কিছু খেয়ে খেয়ে গল্প করুন দেখবেন মন ভালো হয়ে যাবে। মন ভালো রাখার জন্য আপনি আপনার হাতের কাছে কবিদের সুন্দর সুন্দর উপন্যাস গল্পের বই পড়তে পারেন। অনেকে মজার মজার গল্পের বই পড়লে মন ভালো থাকে। এসব গল্পের বইগুলোতে অনেক আনন্দ অনেক হাসি-কানা নিয়ে মিশ্রিত থাকায় এসব গল্পের বই পড়লে হয়তো আপনার মন ভালো থাকবে। মন ভালো রাখার কিছু গল্প এই অনুচ্ছেদে শেয়ার করলাম।

অনেক কাল আগের কথা। একজন দরিদ্র লোক একটি দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় পানি বহনের কাজ করত। তার দুইটি পাত্র ছিল, একটি লাঠির দুই প্রান্তে পাত্র দুটি ঝুলিয়ে কাঁধে নিয়ে সে পানি বহন করত। রোজ অনেকটা পথ তাকে হেঁটে পাড়ি দিতে হত।

দুটি পাত্রের একটি কিছুটা ভাঙ্গা, আরেকটি ত্রুটিহীন। পানি নিয়ে যেতে যেতে ভাঙ্গা পাত্রটি প্রায় অর্ধেক খালি হয়ে যেত। অপরদিকে ত্রুটিহীন পাত্রটি প্রতিদিন সুন্দরভাবে কানায় কানায় ভরে পানি পৌছে দিত। এভাবে দরিদ্র লোকটি রোজ তার মনিবের বাড়িতে এক পাত্র আর অর্ধেক অর্থাৎ দেড় পাত্র পানি পৌছে দিত।স্বাভাবিকভাবেই, ভালো পাত্রটি তার এ কাজের জন্য খুব গর্বিত ও আনন্দিত থাকত। অপরদিকে ভাঙ্গা পাত্রটির মন খুব খারাপ থাকত। সে খুব লজ্জিত আর বিমর্ষ থাকত। কেননা তাকে যে কাজের জন্য বানানো হয়েছিল সে তার সেই কাজ পুরোপুরিভাবে করতে পারছিল না।

ত্রুটিপুর্ণ পাত্রটি এভাবে অনেকদিন পানি বহনের কাজ করার পর একদিন আর সইতে না পেরে লোকটির কাছে তার ব্যর্থতার জন্য ক্ষমা চাইলো। সে বলে উঠলো, “আমি আমাকে নিয়ে লজ্জিত ও হতাশ, আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই”। দরিদ্র লোকটি জানতে চাইলো “কেন তুমি লজ্জা পাচ্ছো” ?

“তুমি কত কষ্ট করে রোজ আমাকে বয়ে নিয়ে যাও, নদী থেকে আমাকে পানি দিয়ে পূর্ণ করে নাও, অথচ আমি তোমার মনিবের কাছে যেতে যেতে অর্ধেক পানি ফেলে দিই, আমার এক পাশে ফাটল, ঐ ফাটল দিয়ে অর্ধেক পানি ঝরে পরে যায়”।
লোকটি তার পাত্রটির প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করলো, বলল, “মন খারাপ করো না। হয়তো এর মাঝেও ভাল কিছু আছে যা তুমি এখন বুঝতে পারছো না”।

ভাঙ্গা পাত্রটি তবু তার অপরাধবোধ আর লজ্জা থেকে মুক্তি পেল না যদিও স্বান্তনার বাণী শুনে কিছুটা শান্তি পেল। মন খারাপ করে সে প্রতিদিনের মতো আজকেও লোকটির কাঁধে চড়ে পানি বয়ে নিয়ে যেতে লাগলো, আর পথ চলতে চলতে ফাটল দিয়ে চুইয়ে চুইয়ে পানি পরতে লাগলো, কান্নার সাথে মিলে মিশে এক হয়ে ঝরতে লাগলো। পাত্রটি পথে যেতে যেতে আশেপাশে দেখতে লাগলো, সবাই কত ভালো আছে সুখে আছে, কি চমৎকার রৌদ্রজ্জ্বল সকাল, পাহাড়ি পথের পাশে নাম না জানা কত শত ফুল ফুটে রয়েছে। সকালের রোদে, মন ভোলানো কোমল হাওয়ায় তারা হেলছে, দুলছে, খেলছে। “অথচ আমার মাঝে এত কষ্ট কেন” । পাত্রটি ভাবতে ভাবতে রোজকার মত আজও ধনী লোকটির বাড়িতে অর্ধেক পানি পৌছে দিল।

ফিরতি পথে আবারও তার ব্যর্থতার জন্য দরিদ্র লোকটির কাছে সে ক্ষমা চাইলো। তার মন খারাপ দেখে লোকটি একটু থেমে পথের পাশে ফুটে থাকা কিছু পাহাড়ি ফুল ছিঁড়ে এনে দিল তাকে। “দুঃখ করো না। আমি আগে থেকেই তোমার এ ত্রুটির কথা জানতাম, তাই যাবার বেলা প্রতিদিন তোমাকে আমার কাঁধের একই দিকে বয়ে নিয়ে যেতাম। আর যেতে যেতে তুমি তোমার ফাটল দিয়ে পানি ঝরিয়ে ঝরিয়ে যেতে, কখনো কাঁদতেও। এভাবে পথের এক পাশে তুমি প্রতিদিন পানি দিতে, দেখো পথের ঐ দিকে চেয়ে ! কত শত সুন্দর ফুল ফুটে রয়েছে ! তুমিই তো তাদেরকে পানি দিয়েছো,
অথচ পথের অপর পাশে চেয়ে দেখো! ধূলো পাথর ছাড়া কিচ্ছু নেই, কোনো ফুলও ফোটেনি”।

মন ভালো রাখার এসএমএস

আমরা আমাদের প্রিয় মানুষজনকরের কাছে শুনি যে তার মন ভালো নেই। প্রিয় মানুষগুলোর মন ভালো না থাকলে তখন নিজেকে খুব খারাপ লাগে। প্রিয় মানুষটার মনকে ভালো করার জন্য আমরা প্রিয় মানুষটাকে সুন্দর সুন্দর মন ভালো করার এসএমএস পাঠাতে পারি। হয়তো এসব এসএমএস দেখে প্রিয় মানুষের মন ভালো হয়ে যেতে পারে। প্রিয় মানুষটির পুরনো কিছু স্মৃতি যে কোন মজার এবং অনেক সুন্দর সেসব পুরনো স্মৃতি নিয়ে আপনি প্রিয় মানুষটাকে এসএমএস করতে পারেন। মন ভালো থাকলে যেমন শরীর ভালো থাকে মন ভালো থাকবে প্রিয় মানুষগুলো তাদের কাজগুলোতে উৎসাহ পাবে এবং কাজগুলোতে মনোনিবেস করতে পারবে। নিচে মন ভালো করার বিভিন্ন এসএমএস শেয়ার করা হয়েছে।

নোয়াখালী টু ঢাকা –
বন্ধু আমি একা..
খুলনা টু রাজশাহী –
তোমায় আমি ভালবাসি!
বরিশাল টু সিলেট –
করোনা আমায় ডিলেট!
ওমান টু দুবাই –
কেমন আছেন সবাই??????

লাভ ইজ ফান
কেউ করবে লাভ ,
কেউ করবে পাপ ,
কেউ খাবে ছেকা,
কেউ হবে একা ,
কেউ করবে গান ,
কেউ দিবে জান,
আর কেউ করবে অভিমান!
সো লাভ ইজ ফান

ভালবাসার ছন্দ
দিন যায় দিন আসে,
সময়ের স্রোতে ভাসে।
কেউ কাঁদে কেউ হাঁসে,
তাতে কি যায় আসে।
খুঁজে দেখো আশে পাশে,
কেউ তোমায় তার জীবনের চেয়ে বেশি ভালবাসে…

আকাশ হলে চাঁদটা দিতাম, মেঘ হলে বৃষ্টি নামাতাম,
পাখি হলে গান শুনাতাম, ফুল হলে সেীরভ ছড়াতাম,
আর আমি অমানুষ হলে ভালো না বেসে কষ্ট দিতাম

যতো ভালবাসা পেয়েছি, তোমার কাছ থেকে।দুষ্টু এই মন চায়, আরো বেশি পেতে।কি জানি,
তোমার মধ্যে কি আছে।কেনো যে এ মন চায়, তোমাকে আরো বেশি করে কাছে পেতে

তুাম সবচেয়ে চমৎকার, সুন্দর, নিরাময়, ঝলকানি, সংবেদনশীল এবং অশ্চর্য। তুমিই আমার সব.
আমি তোমকে ছাড়া আমার জীবন সম্পর্কে কল্পনাও করতে পারি না।

পুরো পৃথিবীকে ব্রেকআপ দিবো। শুধু একবার বল,
ভালোবাসিস আমায়? প্লীজ বল পাগলী

আমার নামটি শুধু তোমার মনের খাতায় লিখে রাখ,
আমায় মনে পরবে তোমার কাছে দূরে যেখানেই থাক

একটি প্রহর যেন ১টি বছর, যখনই পাইনা প্রিয় তোমার খবর

ভালোবাসার সবটুকু রং ছড়িয়ে দিলাম একসাথে, তুমি রাঙ্গিয়ে নিও তোমার মন, অবুঝ এ মনের স্বপ্নগুলো উড়িয়ে দিলাম বাতাসে তুমি সাঁজিয়ে নিও তোমার জীবন

আমাদের সম্পর্ক টম এবং জেরির মতো। আমরা একে অপরকে জ্বালাতন করি, একে অপরকে তাড়া করি, একে অপরের সাথে রাগ করি , একে অপরকে বিরক্ত করি কিন্তু আমরা একে অপরকে ছাড়া বাঁচতে পারি না।

মন ভালো করার ইসলামিক উপায়

কারণে অকারণ ে আমাদের মন খারাপ হয়ে থাকে মন খারাপ থাকলে দুঃখ হতাশায় জরাজীর্ণ জন্য হয়ে যায় জীবন। মন খারাপ থাকলে কোন কিছুই ভালো লাগেনা তাই মন ভাল করার জন্য আমাদের কি কারনে মন খারাপ হয়েছে সে সবকিছু খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে। মানুষের মন নানা ভবিষ্যতের ঘটনা বা দুর্ঘটনা বা কোন কিছু না পাওয়ার বেদনা বা কোন স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে মন খারাপ হতে পারে। অলসতা, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তার, মানুষের আঘাত , মান অভিমান ইত্যাদির কারণে মন খারাপ হতে পারে।
এ বাজার থেকে সরে গেলেও মন খারাপ হয় বা কোন কোন হারার কারণেও মন খারাপ হতে পারে মন খারাপ থাকলে জীবনটা হতাশা এবং সংকীর্ণতায় পরিণত হয়। এই অনুচ্ছেদে মন ভালো করার ইসলামিক উপায়ে শেয়ার করা হয়েছে।

এক. একে-অপরকে সালাম দেওয়া

বেশি পরিমাণে একে অন্যকে সালাম দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সম্প্রীতি সৃষ্টি হয়। অন্তরে প্রশান্তি লাভ হয়। সওয়াবে জীবন ধন্য হয়। সালাম মানে পারস্পরিক শান্তির দোয়া করা। পুরুষ ও নারী সবার মধ্যে এ গুণটি থাকা উচিত। নারী-পুরুষ সবাইকে উদ্দেশ করে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।’ (মুসলিম, হাদিস : ৫৪)

দুই. সুধারণা পোষণ করা

সমাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, মানসিক প্রশান্তি অটুট ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ সুসংহত রাখতে একে অন্যের প্রতি সুধারণা অত্যন্ত জরুরি। বলতে গেলে এর বিকল্প হয় না। পারস্পরিক সুধারণা সমাজে কল্যাণ বয়ে আনে। ভ্রাতৃত্ববোধ ও মায়ার বন্ধন মজবুত রাখে। তাই প্রত্যেকের উচিত একে অন্যের প্রতি সুধারণা রাখা। আল্লাহর রাসুল (সা.) হাদিসে বলেছেন, ‘সুন্দর ধারণা সুন্দর ইবাদতের অংশ।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৯৩)

তিন. হাসিমুখে কথা বলা

হাসিমুখে কথা বলা আল্লাহ রাসুল (সা.)-এর আদর্শ। পারস্পরিক সাক্ষাতের অনন্য সৌন্দর্যও হাসিমুখে কথা বলা। যারা এ গুণের অধিকারী, তাদের সবাই পছন্দ করে। এর মাধ্যমে মনও বেশ প্রফুল্ল থাকে।

নানা প্রয়োজনে যখন একে-অপরের সঙ্গে কথা বলতে হয়, তখন হাসিমুখে কথা বলা কতটুকু ফলপ্রসূ বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়াও হাসিমুখে কথা রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। তিনি সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। আবদুল্লাহ ইবনে হারেস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে তিনি বলেন, ‘মুচকি হাসিতে আল্লাহর রাসুলের মতো অগ্রগামী কাউকে আমি দেখিনি। (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস : ২২৭)

মেয়েদের মন ভালো করার উপায়

প্রিয় মানুষের মন খারাপ থাকলে নিজেকে ভালো লাগেনা তাই প্রিয় মানুষের মনকে ভালো করার জন্য আমরা সর্বদাই নানা কৌশল অবলম্বন করি। চলার পথে ছোট ছোট কারণগুলোতে প্রিয় মানুষের মন খারাপ হয়ে যায়। আপনি যদি আপনার ভালোবাসার মেয়েটিকে একটুখানি অবহেলা করেন বা তার প্রতি তা আপনার আকর্ষণ কমে যায় তাহলে মেয়ে মন খারাপ হয়ে যায় সে প্রচুর দুঃখ পায়। মেয়েদের মন ভাল করার নানা উপায় আজকে এ পোস্টটিতে শেয়ার করা হয়েছে।

১।হাসুন,
যখন ইচ্ছা প্রাণ খুলে হাসুন। কারণ ১৫ মিনিটের হাসিই আপনাকে সুস্থ জীবন দান করবে।আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে দেখুন বা হাসুন মাত্র ১ মিনিটেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।
২।একটু হাটুন,
মন খারাপ থাকলে ঘরে বসে না থেকে একটু হাটুন। আপনি আপনার কোনো বন্ধুর বাসায়ও যেতে পারেন। যেখানেই যান একটু গল্প-গুজব করেন।

যেহেতু আমাদের দেশ প্রকৃতির এক অপূর্ব লীলাভূমি,সবুজের চাদরে মোড়ানো প্রকৃতি তো চারপাশে একটি তাকান। প্রকৃতির সাথে কিছু সময় কাটান, দেখবেন আপনার নিজেরই মন কতোটা ভালো হয়ে যায়।
৩।রঙিন পোশাক পরিধান করুন,
প্রায় সময়ই আমাদের খুব বেশি মন খারাপ লাগে। কোনো কিছুই ভালো লাগেনা। তখন মলিন কাপড় না পড়ে সাধ্য থাকলে রঙিন কাপড় পড়ুন, নিজের অজান্তেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। অন্যরকম এক ভালো লাগা কাজ করবে।
৪।সুন্দর কোনো সুবাস নিন,
অনেক সময় সুন্দর কোনো ফুল বা অন্য কোনো সুবাস পেলে অনেকেরই মন অনেক ভালো হয়ে যায়। অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করে। তো আশেপাশে ফুল বাগান থাকলে বিকালে একটু বাগানে হাটুন,ফুলের সুবাস নিন। আপনার মন ভালো হয়ে যেতে পারে।

মন ভাল করার স্ট্যাটাস

পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে গেলে কারণে-অকারণে আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আমাদের মন যখন খারাপ হয়ে যায় তখন আমরা আমাদের ফেসবুক লাইফে নানা মন খারাপের স্ট্যাটাস শেয়ার করি। মন খারাপ বেশিক্ষণ থাকা যাবে না মন খারাপ হলে শরীর খারাপ হয়ে যায়। তাই মনকে ভালো করার জন্য আমরা আমাদের নিত্যদিনের অনলাইন প্রোফাইলে গিয়ে আমাদের মন ভালো করার জন্য কিছু পুরনো স্মৃতি কিছু পুরনো স্ট্যাটাস শেয়ার করতে পারি। আজকের এই পোস্টটিতে মন ভালো করার নানা স্ট্যাটাস শেয়ার করা হয়েছে। ধন্যবাদ আমাদের এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য।

“একটা সুন্দর মন অন্ধকারে আলোর মতো যার মাধ্যমে কলুষতার মাঝেও নিজের অস্তিত্বকে মর্যাদাসম্পন্ন রাখা যায়”
— দানিয়েল

“মন হলো সবচাইতে বড় তর্ক শাস্ত্রবিদ”
— ফিলিপস

“একটি মহৎ অন্তর পৃথিবীর সমস্ত মাথার চেয়ে ভালো”
— বুলার লিটন

“দুর্বল দেহ মনকে দুর্বল করে দেয়”
— রুশো

“মন যখন ঘুরে বেড়ায় কান আর চোখ তখন অকেজো হয়ে দাঁড়ায়”
— প্রবাদ

“মনের উপর কারো হাত নেই, মনের উপর জোর খাটানোর চেষ্টা করা বৃথা”
— ম্যাকডোনাল্ড

“আমি তোমার চোখ দারা দেখি, কিন্তু বুঝি মন দ্বারা”
— জন স্টিল

“মন দিয়ে মন বোঝা যায়, গভীর বিশ্বাস শুধু নীরব প্রাণের কথা টেনে নিয়ে আসে”
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

“যে মন কর্তব্যরত নয় সে মন অনুপভোগ্য”
— বেভো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *